Posts

Showing posts with the label কবিতা

কিছু সাহসের ছত্র

১. আমরা দিনের শেষ রশ্নি দেখে অজানা প্রভাতের স্বপ্ন বুনি, হেরে যাবো না বলেই পথে নেমেছি, ঐ দূর বিজয়ের মন্ত্র শুনি। ২. নিজের সাথে আজ নিজের লড়াই, কে করে ফেলে আসা দিনের হিসাব? জানি এই পথ শেষে আলোকিত ভোর নিকশ কালো মেঘে ঢাকুক আকাশ। ৩. সময়ের লেনা-দেনা ছোট ছোট ক্ষণ অবসাদ-বিষাধে যদি ঢাকে মন, যেনে রেখো বন্ধু তুমি একা নও আরো দৃঢ় করে নাও এ মনের পণ।

Darkness and Ray

Dreamless, darkness Fades further, Dreams of darkness Reality is harder. Dreams are darkness What is life’s ride? Slowly opening her eyes She smiles and says: Life is a fight. ....Samia A. স্বপ্নহীন, অন্ধকার ধীরে ধীরে কমে ঔজ্জ্বলতা, অন্ধকারের স্বপ্ন, কঠিন সে বাস্তবতা। স্বপ্নই অন্ধকার, জীবনের গন্তব্য কোনখানে? ধীরে মেলে তার চোখ মেয়েটি হেসে বলে, যুদ্ধ’ই জীবনের মানে। When my dreams and mind, Covered by darkness The reality of life, Play with mirage in shades. And that very time Didn’t lose my belief, The path is long and I’m alone I knew there is relief. Now the shadows of sadness Are fading and faraway, Though looking for the Meaning of life, But now it’s full of ray. যখন আমার স্বপ্ন এবং মন অন্ধকারে ছেয়ে যায়, জীবনের বাস্তবতা, মরীচিকার সাথে ছায়াতে খেলে যায়। আর সেই সে সময়ে, হারাইনি আমার বিশ্বাস পথ বহুদূর এবং একাকী আমি জানতাম, আছে মুক্তির আশ্বাস। এখন দু:খের প্রতিচ্ছবিরা ম্রিয়মান এবং বহুদূরে, যদিও খুঁজে ফিরি জীবনের মানে কিন্তু এখন তা প...

My confined soul

With all the awkward silences And vacuum, emptiness of life I'm walking on the road of loneliness My heart is full of hype. I'm here It seems I'm in a desert Nothing here, nothing No water, flower, no hate or affection Not even the gathering in the mart. I'm here And the sky full of star. I can feel the blubber of night Hopeless, helpless soul of mine Confined, going too far. জীবনের সব অদ্ভুদ নীরবতা আর শূণ্যতা, অসারতা নিয়ে আমি হেঁটে যাই একাকিত্বের পথে আমার হৃদয় পূর্ণ প্রতারনা দিয়ে। আমি এখানে, যেনো কোন শুস্ক মরুর মাঠে কিছু নাই এখানে, কিছুই না না পানি, না ফুল, না ঘৃণা কিংবা ভালোবাসা নেই কোন মানুষের আনাগোনা এই হাটে। আমি এখানে, আর আকাশ ভরা তারা আমি শুনতে পাই রাতের কান্না আমার আশাহীন, সহায়হীন আত্মা ছুটে চলে কোন এক দূরের পথে, মুক্তিহারা।

সাদা-কালো ফ্রেম

আমরা হেঁটে যাই জীবনের পথে। পথে ফেলে যাই হৃদয়ের ছোট ছোট টুকরো, টুকরোগুলো হয়ে যায় সোনালী স্মৃতি। স্মৃতিগুলো গেথে থাকে সাদা-কালো ফ্রেমে। আর এভাবে, সময়ের স্রোতে ভেঁসে ভেঁসে আমরা হারিয়ে যাই, অচেনা দূর কোন দেশে।

যেনো আমিই শেষ মানব

আমি নি:সঙ্গ পৃথিবীর বুকে হাটি যেনো আমিই শেষ মানব ধ্বংসের চিহ্ন গুনে গুনে আমি চলি বিশাল সমুদ্র যেখানে মরুভূমি হয়ে যায় আমি সেখানে এসে দাঁড়াই দৃষ্টি সীমা জুড়ে কেবল রোদের হাহাকার, আর তার বুকে আমার পদচিহ্ন। সামনে যেখানে সূর্য নেমে যায় বালির সাগরে, আমি সেই গন্তব্যেই যেতে থাকি। আমি ভীষণ তৃষিত মেঘহীন নীল আকাশ কিংবা শুকিয়ে যাওয়া নদী তীব্র করে পানির পিপাসা আমি এগুতে থাকি নগ্ন পায়ে, যেনো আমিই পৃথিবীর শেষ মানব। এই পথ কি ফুরোবে? অশ্ব খুরের শব্দ শুনি যেনো যেনো আরেকটি একাকী প্রাণী আমি অন্ধ মানুষের কথা ভাবি কি করে সে অন্যকে পথ দেখাবে? আমি পা হারা মানুষের কথা ভাবি, কি করে সে অন্যের বোঝা বইবে? আমি বিবেকহীন মানুষের কথা ভাবি, বিবেকহারা মানব আর দানবে পার্থক্য কোথায়? আমি নিজের কথা ভাবি, আমার পরিচয় কি? আকাশে জেগে থাকা লাখো কোটি তারা, আর এই ছোট্ট পৃথিবীর বুকে যেনো আমিই একমাত্র মানব। এখানে আমার পরিচয় কি? ঘোড়া ছুটছে, যেনো কাপছে জমিন অশ্ব খুরের ধূলোয় ঢেকে যায় আকাশ একি মরিচীকা? কিংবা শব্দের ভ্রম? একি আরেকটি একাকী প্রাণী? নতুবা আমার ভেতর ছুটে...

একদিন ঠিক পাহাড় হবো

একদিন ঠিক পাহাড় হবো। এখনতো শিলা খন্ডের মতো সময়। পাথরের টুকরো হবার জন্য কি আপ্রান্ত ছুটে চলছি। ছোট একটি টিলা, অথবা তার চেয়ে একটু বড় কোন পর্বত হবার ব্যকুল ইচ্ছায়, শ্বাস নিয়েছি কি নেইনি ভুলে যাই। কি পেলাম, অথবা কি ফেলে এলাম, কে করে ছুটন্ত সময়ে পেছনের হিসাব? ছোট একটি টিলাই হতে চেয়েছিলাম। অথবা তার চেয়ে বড় একটি পর্বত। শিখা খন্ড হয়ে, এরপর আরো আরো পাথর জুড়ে নিয়ে, হতে চেয়েছিলাম টিলা। অথবা তার চেয়ে বড় একটি পর্বতের স্বপ্নে বিভোর ছিলাম। সময়ের স্রোতে প্রতিনিয়ত ক্ষয়েছি। বাতাসের ঘাতে, ঝড়-বৃষ্টি, তুফানে একটু একটু করে ক্ষয়েছি। তবুও শিখা খন্ড হবার নেশায় সময়-বাতাস-ঝড়-বৃষ্টি-তুফানে চমকে চমকে থেমেছি। শুধু একটি টিলা, অথবা পর্বত হতে চেয়েছি। এখন, ছেড়ে যাওয়া মাংস, অস্থি-মজ্জার পর আমার কঙ্কালটাই কেবল দাঁড়িয়ে। এখন, আমি সব কিছুকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাই আমি সূর্যরশ্মিকে গিলে খাই। কঙ্কাল ভেদ করে যাওয়া আলোর দল, পেছনের বালুর সাথে খেলা করে। আর আমি ফাঁকা চক্ষুকোটরে স্বপ্ন বুনি, একদিন ঠিক পাহাড় হবো। অযুত-নিযুত বালু কণা মিলে মিলে যতটা উঁচু হলে মেঘেদ...

ভাঙ্গা আর সূর্য

আমরা প্রতিনিয়ত ভাঙ্গতে থাকি, আবার সূর্য দেখার লোভে উঠে দাঁড়াই। এরপর আবারো ভেঙ্গে যাই, আবার সূর্য ধরার নেশায় ঘুরে দাঁড়াই। আবারো আমরা ভাঙ্গি। এরপর, আমাদের সূর্যটা হারিয়ে যায়। আর কিছু মানুষতো প্রতিনিয়ত ভাঙ্গছে, নিজেই নিজেকে অথবা অন্য কারো দ্বারা। কিছু মানুষতো অনন্ত হাটবে বলে বের হয়েছে, তারা ভাঙ্গা আর গড়ার মধ্যে হাটে। তারা সূর্যকে দেখে না কিন্তু সূর্য ধরবে বলে ছুটতে থাকে। আর কিছু মানুষতো উন্মাদ। তারা ভাঙ্গতেই থাকে, ভাঙ্গতেই থাকে। তারা নিজেকে গড়ার কথা ভুলে যায়। সবাই তাদের ভাঙ্গতেই থাকে, ভাঙ্গতেই থাকে। তবু তারা নিজেকে গড়ার কথা ভুলে যায়। অথচ, তাদের চোখের দিকে তাকাও। অবিচল, অচপল, দৃঢ়, প্রতিজ্ঞ। তারা তাকিয়ে আছে সূর্যের দিকে।

আমি কে?

“আকাশের উপর হতে যে আলো নেমে আসে, তাতে সিক্ত হও। অন্তরের যে নয়ন, তা উন্মুক্ত কর। প্রজ্ঞাবাণ হও, জ্ঞানী হও। এরপর পৃথিবীর পথে হাটো। সামনে তাকাও, অসীম সাহসে জাহাজ ভাসাও সাগরে। মরীচিকা মাড়িয়ে মরু পাড়ি দাও। তুষার ভেঙ্গে এগিয়ে যাও পর্বত শৃঙ্গে। সবশেষে ফিরে এসো নিজের ঘরে। সবশেষে নিজেকে প্রশ্ন করো, আমি কে? “আমার” সংজ্ঞা কি? ‘আমিত্ব’ ছুড়ে ফেলে প্রশ্ন করতে শেখো, আমি কে? এবং আমি কে?”

সন্ধ্যার আকাশ

জানালা দিয়ে সন্ধ্যার আকাশ দেখি। দিনের আলো নেমে যায় একটু একটু করে, আর তার সাথে নেমে আসে বৃষ্টি। অবারিত দিগন্তের পথে বাধা হয়ে থাকা উঁচু ইমারতগুলো। আর তাদের ছাদ ছুঁয়ে চলা মেঘের দল। এরপর আলোকিত রাজপথে থেমে যায় দৃষ্টি। অসীম নজর ছোট হয়ে আসে বিজলী বাতির খাপে।

আলো আধাঁরের ক্ষণে

আধাঁর কেটে গেলো বুঝি , চমকে উঠি থমকে দাড়াই বাইরে ছুটে যাই। কই ? কোথায় আলো ? কি অদ্ভুত এ আধাঁর! মানুষগুলো দিব্যি হাটছে , বসছে কথা বলছে , আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে উঠছে। তাদের কাছে কি তবে আধাঁর আলোর সম ? নাকি তারা আধাঁরে অভিযোজিত। নাকি অদ্ভত আমি নিজেই! আধাঁর বলে আমি হাটছিনা , বসছিনা কথা বলছিনা। অনন্ত অপেক্ষায় অস্থির হয়ে উঠছি। আমার কাছে কি তবে আলোই অতি প্রত্যাশিত ? নাকি আমিই আধাঁরে অভ্যস্থ নই।

বন্ধুত্ব তোমার আমার

গুণে গুণে পার করেছি বছর দুই কুড়ি তাই বিজয়ের এই দিবসে মনটা খুশি ভারি। খুঁশি মনে খুঁজছি আমি বন্ধু আমার কই? তারে বিনে একা একা ক্যামনে আমি রই? সাত সকালে ঘুমটা ভেঙ্গে  একি শুনিলাম আমার-তাহার বন্ধুত্বে একটু ফাটল পেলাম। বলি শোন বন্ধু আমার নিকট প্রতিবেশি সদাই ব্যস্ত থাকি আমি  রাখতে তারে খুশি। তার অবদান ছাড়া বিজয় পেতাম নাতো ভুলে, এর বিনিময় আমার সবই  দিলাম তারে তুলে। এমন তরো খুশির দিনে বন্ধু আমার তরে। ফেলানিকে ঝুলিয়ে দিলো কাটাতারের পরে। হতচ্ছাড়া এটা মেয়েটা করলো এটা কি? ভালোবাসার সম্পর্কে ঢেলে দিলো ঘি। বুঝলো নাতো ঐ অভাগী বন্ধুত্বের দাম, মরে গিয়ে করলো আমার বন্ধুর অপমান। এই ব্যটারা বেকুব বড়ো কিছুই জানেনা, কোথায় কখন মরতে হবে তাও বোঝেনা। বন্ধু তুমি মাইন্ড করোনা এরা বড়ো পাঁজি, তোমার-আমার সম্পর্কে গলদ খোঁজে রোজই। একটা কেনো, দশ ফেলানী' নিত্য তুমি মারো, আমার গাছের আপেল-বরই যত খুঁশি পাড়ো। শুধু দোহাই তোমার পায়ে আমায় ভুলোনা, তোমার-আমার বন্ধুত্বে  হয়না তুলনা।...

আজ আবার দ্রোহ

মাগো, এখনো শিরায় বইছে তোমার রক্ত। অথচ শত্রু চিঁরে দিয়ে তোমার বুক যেতে চায় এপাড় হতে ওপাড়। তোমার প্রবাহিত দুধে  দিয়ে বাঁধ, শেখাচ্ছে লক্ষ টাকার হিসাব।  তার লাভের লরির চাপে চিড়ে যাচ্ছে তোমার চামড়া। তোমার নি:শ্বাসে ছেড়ে দিচ্ছে গলিত সংস্কৃতির ধুয়া। কিন্তু  আমার ঘুমে যে  এখনো স্টেনগান বেজে ওঠে। পাক নিধনের গানে মত্ত সে অস্ত্র আজ গাইবে অন্য সুরে। আহ্..... রক্তে আজ আবার জেগে  উঠুক দ্রোহ। অস্থির হয়ে খুঁজুক নতুন লক্ষ্য, সম্ভাব্য নব্য হানাদারকে।  December 30, 2011

বর্ণগুলো কাঁদছে

সালাম, বরকত, রফিকের রক্ত কি মুছে গেছে কালো রাজপথ হতে?  মিছিল কি এখন আর প্রকম্পিত করে না ঢাকার বাতাস?  নাকি ম্রিয়মান শহীদ মিনারের  উচ্চকিত স্তম্ভগুলো? . এখনোতো প্রভাতফেরি যায়, রাঙ্গা সূর্যের সাথে মিলিয়ে দিতে শিমুল পলাশের রঙ্গ।  এখনোতো 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো' গান বেঁজে ওঠে পাড়ায় পাড়ায়। এখনোতো বক্তব্যের মঞ্চ কাঁপে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদার দাবিতে।. অথচ, অথচ তবুও,  আমার কেবলি মনে হয় বর্ণগুলো কাঁদছে। ভাষা প্রলাপ করছে তার রুগ্ন স্বরে। শুনছো তোমরা শুনছো? বেয়নেটের মুখ থেকে নিজের মর্যাদা ছিনিয়ে এনেছিলো যে, সে আজ আগ্রাসনের ভয়ে কাঁপছে। নিজের অস্তিত্বের ভয়ে কাঁদছে। গুমরে কাঁদছে, বিলাপ করছে,  চিৎকার করছে,  আত্ম-চিৎকার। March 11, 2012

বাশার তোমাকে অভিশাপ

তেলআবীবের যুদ্ধ জাহাজগুলো যখন হরমুজ প্রণালির মুখে অপেক্ষমান, তাদের আণবিক চুল্লিগুলো যখন তারা নতুন সেন্ট্রিফিউজে সজ্জিত করছে বাশার, তখনি তুমি লাতাকিয়ার সবুজ ভূমিকে করেছ রঞ্জিত, মানুষের টকটকে লাল রক্তে। তোমার সৈন্যদের বন্দুক থেকে ছুটে যাওয়া বুলেট কলুষিত করেছে বুর্জ ইসলামের শান্ত নিরব বালুতট। দামেস্কের মিনারগুলোকে ভেঙ্গেছ তোমার অহংকারের আঘাতে। তারতুস আর আলেপ্পোর শিশুদের করেছ পিতৃহারা। পবিত্র জমিনের উপর এখনো দাগ ছেড়ে যায় তোমার ট্যাংকের বেল্ট, বাতাসে ধোয়াঁর গন্ধে, বাশার তুমি কি শুনছো সেই শিশুর চিৎকার? অস্থির চোখে কেবল অশ্রু, মায়ের লাশের পাশে বসে থেকে অবাক হয়ে দেখছে, কেন এতো লাশ, কেন? কেন এতো কান্না, কেন? কেন এতো চিৎকার, কেন? বাশার, এই অশ্রুগুলো চিনে রাখো, এই কলঙ্কিত দিনের এক একটি অভিশাপ, আল্লাহর কসম, এক একটি অভিশাপ তোমাকে বিদ্ধ করবে যেমনি তোমার স্প্রিণ্টার বিদ্ধ করেছে মানুষের দেয়াল। কালাশনিকভের একটানা শব্দ যেমনি মানুষকে তাড়িয়েছে কুকুরের পালের মত, ঠিক তেমনি দাবড়ে বেড়াবে তোমায় যেমনি তোমার কপ্টার আর মিসাইল খুঁজেছ...

কতদিন হয়না যাওয়া

কতদিন হয়না যাওয়া আমার গায়েঁর বাড়ি, কতদিন হয়না দেখা বাশঁ বাগানের সারি। কতদিন হয়না দেখা মাকে...... অবাধে সাঁতার কাটা পদ্মা নদীর বাকে। 'জানিনা মৌমাছি কি বসে লেবুর ফুলে, ভাটি গান, বৈঠা বাওয়া গেছি নাকি ভুলে।'  দেখিনা কাশেঁর ফুল আর শাখে...... জোৎস্না এখনকি মায়ার ছবি আকেঁ? নাটায়ের সুতা আমার এখনো কি আছে? হলদে বুকে সবুজ সর্ষে গুলি হাসে। আসেনা ঘুম যে আমার চোখে.........