Posts

Showing posts with the label বিজ্ঞান প্রবন্ধ

Do you have a computer? Its time for Bioinformatics

Ahamed Ismail Hossain Just imagine a scenario that you are in a hurry to get a new protein 3-D structure or to find out a drug binding site. But you can't neither invest a lot of money to have it nor can't consume huge time. Don't worry, there is a exciting alternative for you. You can produce a protein 3-D structure, identify a drug binding site, find out a specific gene/RNA/protein sequence by writing few program on your computer and gets the result within a very short time that scientists had been trying to discover for years. But you are doing the job just using few programs, tools and software. Do you know the difference between 'Dry lab' & 'Wet lab'? Dry lab helps us to reduce our time consumption, reduces expenditure of million dollars and years long effort in a research project. What I told you to imagine is a part of dry lab. Our traditional laboratories where chemicals, drugs or other materials or biological matters are handled in liquid s...

লক্ষ্য যখন বায়োকেমিস্ট হওয়া!

আপনার গবেষণা ভালো লাগে? জীবনের রহস্য উদঘাটনের স্বপ্ন কি আপনাকে শিহরিত করে? অথবা জটিল কোন রোগের প্রতিষেধক আবিস্কার করে হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচাতে চান? তাহলে আপনি পড়াশুনার জন্য বায়োকেমিস্ট্রি ( Biochemistry ) বা প্রাণরসায়ন বেঁছে নিতে পারেন। প্রাণরসায়ন হলো বিজ্ঞানের এমন শাখা যেখানে জীব দেহে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন প্রাণ-রাসায়নিক বিক্রিয়া (Biochemical Reaction) এবং বিভিন্ন প্রাণঅণু (Biomolecules) নিয়ে আলোচনা করা হয়। ভাইরাস, ব্যকটেরিয়া থেকে শুরু করে উদ্ভিদ, প্রাণী- মানে সকল জীবন্ত বস্তুই প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, লিপিড, নিউক্লিয়িক এসিড, এমাইনো এসিড ইত্যাদি প্রাণঅণু নিয়ে গঠিত। প্রাণরসায়ন অত্যন্ত ক্ষুদ্র পর্যায়ে (Molecular Level) এসব প্রাণঅনুর মধ্যে ঘটা বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া (Chemical Reaction), শক্তির রুপান্তর (Transformation of Energy), প্রাণঅনুসমূহের রুপান্তর (Conversion of Biomolecules), বিভিন্ন কোষ বা অনুসমূহের মধ্যে সঙ্কেত আদান-প্রদান (Signal Transduction or Cell signaling) ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে। জীবনের রহস্য উদঘাটন থেকে শুরু করে রোগের প্রক্রিয়া, রোগের প্রতিষেধক আবিস্কার, বিবর্...

মার্গারেট হ্যামিলটনঃ চন্দ্রবিজয়ের প্রোগ্রামার

Image
চার বছর বয়সের ছোট্ট লরেন তার মায়ের অফিসের জানালা দিয়ে চালর্স নদী দেখতে দেখতে এক সময় ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়লো। একটু দূরেই তার মা হ্যামিলটন এক নাগাড়ে কাজ করে চলেছে। পৃথিবীর কোন দিকেই তার খেয়াল নেই। সে ডুবে আছে প্রোগ্রামিংয়ের এক রহস্যময়, মোহময় জগতে। সময়টা ১৯৬০ এবং মার্গারেট হ্যামিলটনের উপর দায়িত্ব ছিলো ৭০ পাউন্ড ওজনের পৃথিবীর প্রথম বহনযোগ্য কম্পিউটারের জন্য প্রোগ্রাম লেখা, যা কিছুদিন পরেই ‘এ্যপোলো ১১’ মহাকাশযানকে চাঁদের বুকে অবতরণে পথ দেখাবে। ২০ জুলাই, ১৯৬৯। MIT এবং NASA তে অপেক্ষার প্রহর গুনছে সবাই। আর মাত্র তিন মিনিট পরেই এ্যপোলো ১১ এর লুনার মডিউল ‘ঈগল’ চাঁদের বুকে অবতরণ করবে। পৃথিবীর মানুষ ইতিহাস গড়তে চলেছে। রুপকথার চন্দ্র বিজয় আজ সত্যি হবে। আর মাত্র তিন মিনিট বাকি সে মাহেন্দ্রক্ষণের। হঠাৎ করেই অভিযানে মহাকাশযানের নেভিগেশন এবং ল্যান্ডিং এর দায়িত্বে থাকা একাধিক কম্পিউটার বেঁকে বসলো।  তারা বার বার error সংকেত দিতে লাগলো। কি হলো? এতো কষ্ট করে কি তীরে এসে তরী ডুবতে বসলো? এই চরম মুহূর্তে কম্পিউটার ছাড়া যেমন চাঁদে নামা সম্ভব না, তেমনি মহাকাশচারীরাও পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারবে না। নাহ। শে...

এইডস’র জন্য দায়ী প্রোটিনের স্বচ্ছ ছবি ধারণ, ভ্যাকসিন আবিস্কারের কাছাকাছি বিজ্ঞানীরা

Image
অবশেষে বিজ্ঞানীদের প্রায় বিশ বছর ধরে চালানো এইডস’র গবেষনা আলোর মুখ দেখেছে। স্ক্রিপস রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং ওয়েইল কর্ণেল মেডিকেল কলেজ এর বিজ্ঞানীগণ যৌথভাবে তিনটি ল্যাবে চালানো গবেষনায় এই প্রথমবারের মত এইডস’র ট্রাইমেরিক এনভেলপ প্রোটিনের আণবিক পর্যায়ের ছবি ধারণ করতে সক্ষম হন। বিজ্ঞানী ক্যারাজহার বলেন, ‘এখন আমরা সহজেই বুঝতে পারবো কিভাবে এই ভাইরাসগুলো কাজ করে, কিভাবে এরা শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকে এড়িয়ে টিকে থাকে, কেনো এই ভাইরাসগুলো অন্য ভাইরাসের মত নয়, ভবিষ্যতে কিভাবে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এটিকে প্রতিরোধ করা যাবে এবং সর্বোপরি এইডস’র একটি কার্যকরী প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন আবিস্কার করা সম্ভব হবে। এইডস’র জন্য দায়ী অত্যান্ত জটিল এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল এইচআইভি’র এনভেলপ প্রোটিন আবিস্কার রীতিমতো চ্যালেঞ্জিং ছিলো গবেষকদের জন্য। মূলত এর প্রোটিনগুলো দ্রুত পরিবর্তনশীল রুপই প্রধান অন্তরায় ছিলো । তাই গবেষকগণ প্রথমে অত্যন্ত পরিবর্তনশীল প্রোটিনগুলোর BG505 SOSIP.664 gp140 নামে একটি সুস্থিত রুপ তৈরী করেন। এরপর তারা এক্সরে ক্রিস্টালোগ্রাফি এবং ইলেকট্রন মাইস্ক্রোস্কপি প্রযুক্তি ব্যবহা...

আপনার জিনোম থেকেই ঔষুধ বানিয়ে দেবে (?)

সময়টা বিংশ শতাব্দির কোন এক দিন। পড়ন্ত এক বিকেলে মা তার ছোট্ট সোনামনিকে নিয়ে গেলেন ডাক্তারের কাছে। ডাক্তারকে বললেন তার বাবুটা এই সমস্যা-সেই সমস্যায় ভুগছে। ডাক্তার নিঁখুত হাতে তাকে পরীক্ষা করলেন। মা'কে অভয় দিয়ে বললেন সব ঠিক হয়ে যাবে। এরপর তিনি তার রোগী ছোট্ট বাবুটাকে ল্যাবে নিয়ে তার মুখ থেকে একটুখানি 'লালা' রেখে দিলেন। ফিরে এসে তার মাকে বললেন কয়েকঘন্ট পর নিদির্ষ্ট জায়গা থেকে তার বাবুর ঔষুধ বুঝে নিতে । বাবুটা মায়ের হাত ধরে ফিরে গেলো। ডাক্তার এই সময়টায় কি করলেন? তিনি শিশুটির 'লালা' নিদিষ্টি ল্যাবে পাঠালেন। সেই ল্যাব সেখান থেকে 'ডিএনএ'  আলাদা করলো। সেই ডিএনএ'র সিকোয়েন্স মেইল করে পাঠিয়ে দিলো কোন এক ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির প্লান্টে যেখানে তারা 'জিনোম বেইজড' ঔষুধ বানায়। তারা সেই ছোট্ট শিশুর ডিএনএ এ্যানালাইসিস করে সেই অনুযায়ী ঔষুধগুলো বানিয়ে দিলো। কাজগুলো করা হলো আর্টিফিসিয়াল ইনটিলিজেন্স ভিত্তিক রোবট এর মাধ্যমে। শিশুটির জন্য এই তৈরী করা ঔষুধগুলো পুরোপুরি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত, নিরাপদ কারণ এগুলো তৈরী হয়েছে তার নিজের ...

জানেন তো, ঔষুধ ছাড়াও হাই ব্লাড প্রেসার কন্ট্রোল করা যায়

প্রেসার মাপার যন্ত্র হাতে বসে থাকা ডাক্তার আর তার সামনে দুরু দুরু বুক নিয়ে বসে আছেন আপনি। আপনার কপালে হয়তোবা সুক্ষ্ন রেখার মত কিছুটা ঘাম। সামনে বসা ব্যাক্তিটি নিবিড় মনোযোগের সাথে তার যন্ত্রটির প্রেসার নির্ণায়ক কাটাটির দিকে লক্ষ্য রাখছেন। সেই সাথে চেষ্টা করছেন তার স্টেথিসকোপে কিছু শোনার। এক সময় তার কাজ শেষ হলো। সাথে সাথেই আপনার প্রশ্ন, ডাক্তার সাহেব প্রেসারের অবস্থা কি? আগের মতোই নাকি কিছুটা বেড়েছে? গম্ভীর মুখে তিনি জবাব দিলেন, না তেমন কিছুনা। সামান্য বেশি (*১)। ব্যাস। শুরু হলো আপনার টেনশন। বাড়ছে প্রেসার। মানে হৃদপিন্ড থেকে সারা শরীরের দূর থেকে দূরতর প্রান্তে সরু সরু নালীকার ভেতরে দিয়ে রক্ত কণিকাগুলো অস্থির ছোটাছুটি। ডাক্তার যতই বলুক সমস্যা নেই, আমি ঔষুধ দিয়ে দিচ্ছি অথবা একদম টেনশন করবেন না, রেষ্ট নেবেন- আপনি কি শুনবেন? লাভ নাই, লাভ নাই ছোট সে তরী- আমারি টেনশনে গিয়াছে ভরি। না চাইলেও হাজারটা চিন্তা বিনা মেঘে বজ্রপাতের মত আপনার মাথায় এসে ল্যান্ড করবে। কেন প্রেসারটা বাড়লো? ঔষুধ কি কাজ করছেনা? খাবারে কি কোন সমস্যা হলো, ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনি তখন স্বাভাবিকভাবেই চাইবেন আপনার আগের ব্যব...

রাতের আকাশ

Image
রাতের আকাশের দিকে তাকালে খুব সহজেই সপ্তর্ষিমন্ডল দেখা যাবার কথা। কিন্তু 'কথা' হলেইতো তা আর বাস্ব হয়ে যায় না। হবে কি করে? ধূলো, বালি, ধোঁয়াতে ঢেকে থাকে শহরের আকাশ। আপনি ইচ্ছা করলে এটাকে অদৃশ্য প্রতিবন্ধকতা বলতে পারেন। এটা আমরাই প্রতিদিন একটু একটু করে তৈরী করছি। এই অদৃশ্য দেয়াল আমাদের প্রতিরাতে আকাশের অপূর্ব দৃশ্য দেখা থেকে বঞ্চিত করছে। সত্যি বলছি। অপূর্ব সে দৃশ্য। একবার তাকালে চোখ ফেরানো কঠিন। আপনি শহর থেকে আকাশের দিকে তাকালে গুটি কয়েক তারা দেখতে পাবেন। কিন্তু গ্রামে ব্যাপারটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে হাজার হাজার বিজলি বাতির ঝলকানি নেই, নেই ধূলা-বালি, ধোঁয়ার ঝঞ্ঝাট। আকাশ একদম পরিস্কার। উন্মুক্ত। একবার চোখ মেলে তাকালে আপনার দৃষ্টি আপনাকে নিয়ে যাবে এক রুপকথার রাজ্যে। মনে হবে মাথার উপরে এক বিশাল কালো গম্বুজে ঢেকে আছে পুরো পৃথিবী। আর তার বুকে লাখো লাখো ঝলমলে অপূর্ব তারার আসর। তারারা যেনো হাট বসিয়েছে। কোনো কমতি নেই সে হাটে। আপনি অবশ্যই বিস্ময়ে অভিভূত হবেন। প্রতিরাতে। যখনি তাকাবেন রাতের উন্মুক্ত আকাশের দিকে। শীতকালে কিন্তু আকাশ অনেক পরিস্কার থাকে। টুকরো টুকরো মেঘের খন্ড আকাশে ...

জীবনের সূচনা

একদম নিরব।এতটুকু শব্দ বা আলো কিছুই ছিলনা।।কেবলি অনন্ত নিশ্চুপতায় ঘেরা ছিল এই মহাবিশ্ব। কোথাও ছিলনা প্রাণের এতটুকু উপস্থিতি। চারিদিকে কেবল অসীম নিরবতা। প্রাণ নেই,প্রাণী নেই, বস্তু নেই, কেবলি আধাঁর ছিল বাস্তব। বাকি সব মিছে। সেই সময়ের কথা বলছি। যখন আসলে সময়ের শুরুই হয়নি। শুরু হবে কি করে? কিছুইতো ছিলনা। তখনি কোনো মহাসত্তায় বুঝি খেলে গেলো কোনো মহাপরিকল্পনার চিন্তা। বুঝিবা ইচ্ছা করলেন নিজের প্র্রকাশের।ছড়িয়ে থাকা বিশাল ধূলির স্তুপে শুরু হলো আলোড়ন। সংকুচিত হতে শুরু করলো তারা। হতে থাকলো ক্ষুদ্র। ক্ষুদ্র হতে আরো ক্ষুদ্র। থামলো অতি ছোট এক বিন্দুতে পরিণত হয়ে। এরপর সে বিন্দুতে এলো শিহরন। যেন কোন মহাশক্তি সেখানে আঘাত করলো। প্রচন্ড বিস্ফোরনের মতো তারা ছড়িয়ে পড়তে লাগলো। আত্নকেন্দ্রিক কোন পরিবার যেন হঠাৎ করে একে অপরের শত্রু হয়ে গেলো।সরে যেতে লাগলো পরস্পর হতে যতটা পারা যায়। বিংশ শতকে বিজ্ঞানের রাজপূত্র হকিং বললেন, এ ছিল মহাবিস্ফোরন। বিগ ব্যংগ। তাও ছয় মিলিয়ন বছর আগের কথা। একত্রিত আকাশ ও পৃথিবীগুলো আলাদা হলো। দিন যেতে লাগলো। তারা যার যার স্থানে স্থির হলো। তৈরী হলো নীহারিকা, গ্যলাক্সী, সৌরজ...

ডারপার গল্প

অক্টোবর ৪, ১৯৫৭. ঘড়ির কাটায় সময় ১৯ টা বেজে ২৮ মিনিট। সোভিয়েত ইউনিয়নের তুরানতামে জড় হয়েছে বেশ কিছু উৎসাহী মানুষ। উৎকন্ঠার সাথে ঘড়ির কাটা গুনছে। আর রেডিওতে কান পেতে আছে পুরো জাতি। থাকবেনা কেন? এ যে পুরো জাতির সম্মান আর মর্যাদার প্রশ্ন। অবশেষে অপেক্ষার পালা শেষ হলো। পুরো স্পেস সেন্টার জুড়ে আলোর স্ফূলিঙ্গ ছুটে গেলো। মাটির বুক ছেড়ে শূণ্যে যাত্রা শুরু করলো স্পূটনিক-১. সেকি আবেগ আর আনন্দের বন্যা। এবার বুজি সোভিয়েতদের আকাশ জয়ের স্বপ্নও বাস্তব হতে চললো। হোকনা স্পুটনিক-১ কেবল পৃথিবীকে প্রদক্ষিণকারী একটি আবহাওয়া স্যাটেলাইট, তাতে কি। আকাশের বুকে তো তারাই প্রথম স্বগর্বে তাদের উপস্থিতি ঘোষনা করলো। ভদকার স্রোতে ভেসে গেলো স্টালিনগ্র্রাদ। উল্লাসে ফেটে পড়লো সোভিয়েতরা। কিন্তু ঠিক বিপরীত চিত্র আটলান্টিকের অপর পাড়ে। স্নায়ূ-যুদ্ধের আরেক পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র স্পূটনিক-১ এর আকাশ ভ্রমনকে নিলো ঠিক উল্টোভাবে। স্পূটনিক-১ এর উর্ধ্বগমন যুক্তরাষ্ট্রকে যেন নিম্নে  পাঠিয়ে দিল। এবার বুজি আকাশে তাদের প্রতিপক্ষ তাদের জন্য শক্ত চ্যালেন্জ হয়ে দাড়ালো। আসলে এটি ছিল সোভিয়েত এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের ...

হকিং এর ঈশ্বর আর আমার মন

স্টিফেন ডব্লিউ. হকিং। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় বিজ্ঞানী। মহাবিশ্বের সৃষ্টি নিয়ে তার মন্তব্য তাকে পরিচিত করেছে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে। মোটর নিউরন ডিজিজে ভোগা এই বিজ্ঞানীর জগৎ একটা হুইল চেয়ারে আবদ্ধ। কিন্তু তিনি তার চিন্তার জগৎকে ছড়িয়ে দিয়েছেন এই মহাবিশ্বের দূরতম অঞ্চলে, মহাবিশ্বের গভীরতা মাপতে। চমৎকার এবং সহজবোদ্ধভাবে মহাবিশ্বের সূচনা, ব্যপ্তি, পরিণতির মতো কঠিন বিষয়গুলো মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। তিনি মিডিয়ার আলোচনায় আসেন, তার রেকর্ড সংখ্যাক বিক্রীত বই ‘এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম’ এর মাধ্যমে। এই বই তাকে আলোচনায় ও সমালোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসে। এই বইতে তার সবচেয়ে জনপ্রিয় উক্তি ছিল, তিনি ঈশ্বরের মন বুঝার চেষ্টা করছেন। আবারো তিনি উঠে আসেন আলোচনার কেন্দ্রে তার নতুন বই “গ্রান্ড ডিজাইনের” মাধ্যমে। এখানে তিনি বলার চেষ্টা করেছেন, এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে শূন্য থেকে এবং তার জন্য কোন স্রষ্টার প্রয়োজন নেই। প্রচন্ড তর্ক-বিতর্কের ঝড় ওঠে তার নতুন মন্তব্যে। মানুষকে বাধ্যকরে নতুন করে হকিংকে ভাবতে এবং তার পূর্বের তত্ত্বের ভিত্তিতে নতুন তত্ত্বকে যাচাই করতে। সেই প্রেক্ষিতে এই প্রবদ্ধ। এখান...